দুজন রুগী হাসপাতাল এর ২ বেড এর রুম এ শুয়ে আছেন। একজন এর বিছানা জানালার পাশে, অপরজন উল্টো দিকে।
দুজনই শয্যাশায়ী কয়েক মাস হলো। যিনি জানালার পাশে আছেন তাকে রোজ সকালে ১ঘন্টা করে উঠে বসানো হয় যাতে তার অন্ত্র থেকে পানি বের করা যায়। আর অন্যজন সারাদিন সোজা হয়ে শুয়েই থাকেন।
তারা দুজনেই সারাদিন নানা বিষয়ে কথা বলেন। তাদের পরিবার, ছেলে মেয়ে, ঘর বাড়ি এসব থাকে তাদের আলোচনার বিষয়।
রোজ সকালে যখন জানালার পাশের মানুষটিকে ১ ঘন্টার জন্য উঠে বসানো হয় তখন তিনি জানালার বাইরের দৃশ্যের বর্ণনা দিতে থাকেন। তার বর্ণনায় সবসময় জানালার বাইরের পুরো জগত টাই যেন ফুটে উঠত! ভদ্রলোক এত সুন্দর করে বর্ণনা দিতেন যে, শিশুদের খেলাধুলা থেকে শুরু করে লেকের উপর হাসের সাতার কাটা আর ফুলের উপর মৌমাছির মধু আহরণ .......সবটাই থাকত ...এমনকি তার বর্ণনায় ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের কাগজের নৌকা পানিতে ভাসানো আর রৌদ্রজ্জল দিনে মেঘের রুপালি আবরণ এর কথাও ছিল! ... আর তার এই বর্ণনা শুনে পাশের রুগীটি যেন প্রাণ ফিরে পাচ্ছিলেন .....প্রতিটি বর্ণনাই যেন তাকে বেচে থাকার স্বপ্ন দেখাচ্ছিল!
এভাবে দিন খন মাস পার হয়ে একদিন সকালে নার্স সকালে ওষুধ দিতে এসে দেখে জানালার পাশের মানুষটি আর বেচে নেই!! নার্স ব্যথার মন নিয়ে তার সহকর্মীর সাহায্যে লাশটি সেখান থেকে সরানোর ব্যবস্থা করলো
সাথের অন্য রুগীরও অনেক মন খারাপ হলো।
ভদ্রলোক নার্স এর সাহায্য নিয়ে তার বিছানা জানালার পাশে শিফট করে নিল ...
জানালার পাশে বিছানা পেতেই তার মন চাইল বাইরের দৃশ্য উপভোগ করতে। একী!! বাইরে তাকিয়ে দেখে বিশাল একটা দেয়াল ছাড়া আর কিছুই দেখা যায় না!!
নার্স কে দেকে জিজ্ঞাসা করতেই নার্স বলল, 'ভদ্রলোক তো অন্ধ ছিলেন, তিনি তো আপনার মন ভালো করার জন্য নানারকম সুন্দর বর্ণনা দিতেন!'
শিক্ষা:
নিজে কষ্টে থাকলেও অন্যকে সুখ দেয়ার মধ্যে অনেক আনন্দ আছে। দুঃখ শেয়ার করলে তা ২ ভাগ হয় আর সুখ শেয়ার করলে তা ২ গুন হয়! আসুন আমরা নিজে যেভাবেই থাকি না কেন, আমাদের আশেপাশের মানুষদের সুখে রাখার চেচ্টা করি
দুজনই শয্যাশায়ী কয়েক মাস হলো। যিনি জানালার পাশে আছেন তাকে রোজ সকালে ১ঘন্টা করে উঠে বসানো হয় যাতে তার অন্ত্র থেকে পানি বের করা যায়। আর অন্যজন সারাদিন সোজা হয়ে শুয়েই থাকেন।
তারা দুজনেই সারাদিন নানা বিষয়ে কথা বলেন। তাদের পরিবার, ছেলে মেয়ে, ঘর বাড়ি এসব থাকে তাদের আলোচনার বিষয়।
রোজ সকালে যখন জানালার পাশের মানুষটিকে ১ ঘন্টার জন্য উঠে বসানো হয় তখন তিনি জানালার বাইরের দৃশ্যের বর্ণনা দিতে থাকেন। তার বর্ণনায় সবসময় জানালার বাইরের পুরো জগত টাই যেন ফুটে উঠত! ভদ্রলোক এত সুন্দর করে বর্ণনা দিতেন যে, শিশুদের খেলাধুলা থেকে শুরু করে লেকের উপর হাসের সাতার কাটা আর ফুলের উপর মৌমাছির মধু আহরণ .......সবটাই থাকত ...এমনকি তার বর্ণনায় ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের কাগজের নৌকা পানিতে ভাসানো আর রৌদ্রজ্জল দিনে মেঘের রুপালি আবরণ এর কথাও ছিল! ... আর তার এই বর্ণনা শুনে পাশের রুগীটি যেন প্রাণ ফিরে পাচ্ছিলেন .....প্রতিটি বর্ণনাই যেন তাকে বেচে থাকার স্বপ্ন দেখাচ্ছিল!
এভাবে দিন খন মাস পার হয়ে একদিন সকালে নার্স সকালে ওষুধ দিতে এসে দেখে জানালার পাশের মানুষটি আর বেচে নেই!! নার্স ব্যথার মন নিয়ে তার সহকর্মীর সাহায্যে লাশটি সেখান থেকে সরানোর ব্যবস্থা করলো
সাথের অন্য রুগীরও অনেক মন খারাপ হলো।
ভদ্রলোক নার্স এর সাহায্য নিয়ে তার বিছানা জানালার পাশে শিফট করে নিল ...
জানালার পাশে বিছানা পেতেই তার মন চাইল বাইরের দৃশ্য উপভোগ করতে। একী!! বাইরে তাকিয়ে দেখে বিশাল একটা দেয়াল ছাড়া আর কিছুই দেখা যায় না!!
নার্স কে দেকে জিজ্ঞাসা করতেই নার্স বলল, 'ভদ্রলোক তো অন্ধ ছিলেন, তিনি তো আপনার মন ভালো করার জন্য নানারকম সুন্দর বর্ণনা দিতেন!'
শিক্ষা:
নিজে কষ্টে থাকলেও অন্যকে সুখ দেয়ার মধ্যে অনেক আনন্দ আছে। দুঃখ শেয়ার করলে তা ২ ভাগ হয় আর সুখ শেয়ার করলে তা ২ গুন হয়! আসুন আমরা নিজে যেভাবেই থাকি না কেন, আমাদের আশেপাশের মানুষদের সুখে রাখার চেচ্টা করি

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন