শুক্রবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৬

১লা বৈশাখ উপলেক্ষ্যে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা ও পরিচালনায়.................



বৈশাখ উপলেক্ষ্যে স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে লোহাগাড়ায় সর্বপ্রথম মঞ্চায়িত হল মঞ্চ নাটক  "কচাঁল"।
লোহাগাড়ার শিল্প সাংস্কৃতির ইতিহাসে এই শুভ ঘটনা ও শুভ ঘটনার মানুষ গুলোর নাম চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে।







বৃহস্পতিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৬

সুখ দুঃখ সর্বাবস্থায়ই আমাদের আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা উচিৎ।

সব সময় আমাদের সাথে মন্দ যা কিছুই ঘটুক না কেন তার পেছনে আমাদের কোনো না কোন কল্যান নিহিত থাকে। এ প্রসঙ্গে একটা গল্প মনে পড়ে গেল:
এক রাজার একজন বিশ্বস্ত চাকর ছিল। সে সব সময় রাজার সেবা যত্ন করত। রাজাও তাকে খুব পছন্দ করত। রাজা যেখানে যেত সেখানে চাকরকে নিয়ে যেত। একদিন রাজা তার চাকরকে সাথে নিয়ে শিকারে গেলেন। কিন্তু বাঘ শিকার করতে গিয়ে বাঘের আক্রমনে রাজা তার বা হাতের দুটো আঙুল হারালেন। সৈন্যরা রাজাকে উদ্ধার করল। রাজা যখন ব্যথায় কাতরাচ্ছিল তখন চাকর তাকে বলল "মহারাজ দু:খ করবেন না সৃষ্টিকর্তা যা কিছু করেন তা বান্দার মঙ্গলের জন্যই করেন। নিশ্চই এর মধ্যে আপনার কোনো মঙ্গল নিহিত আছে" এই কথা শুনে রাজা ক্ষেপে গিয়ে বললেন "আমি কয়েকটা আঙুল হারালাম এতে আবার ক্ষতি ছাড়া কিসের কল্যান" এবং চাকরকে বন্দী করে কারাগারে নিক্ষেপ করার আদেশ দিলেন। এর কিছুদিন পর জেদি রাজা কাউকে সঙ্গে না নিয়ে একাই শিকারে গেলেন এবং গভীর জংগলে একদল মানুষখেকো আদিবাসী দের হাতে বন্দী হলেন। সুঠাম দেহের রাজাকে খেতে পারবে ভেবে তারা খুব খুশী ছিল। কিন্তু যখন তারা দেখল রাজার হাতের কয়েকটা আঙুল নেই তখন তারা তাকে ছেড়ে দিল কারন ওরা এমন মানুষ খেত না যার শরীরে কোনো খুত আছে। রাজা তার ভুল বুঝতে পেরে রাজ্যে ফিরে চাকরকে ছেড়ে দেবার আদেশ দিলেন। যখন চাকর রাজার সামনে এল তখন রাজা তাকে জিজ্ঞেস করলেন " আচ্ছা এই যে আমি আঙুল হারালাম এতে না হয় আমার কল্যান ছিল যে আমি প্রাণে বেচে ফিরলাম কিন্তু তুমি যে অন্ধকার কারাগারে এই কদিন কষ্ট করলে এতে তোমার কি কল্যান ছিল? তখন চাকর উত্তর দিল "মহারাজ আমি যদি বন্দী না হতাম তবে অবশ্যই আপনি আমাকে ওই দিন শিকারে নিয়ে যেতেন আর যেহেতু আমার শরীরে কোনো খুত নেই সেহেতু ওই জংলী গুলো আমাকে খেত তাই বন্দী থাকার কারনে আমিও প্রানে বেচে গেলাম এর চেয়ে বড় কল্যান আর কী হতে পারে?
তাই আমাদের সবারই সুখ দু:খ সর্বাবস্থায়ই আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা উচিৎ।(কপি)

বুধবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৬

লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি আমার সম্মান,শ্রদ্ধা ও ভালবাসা।




আজ লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি আমার সম্মান,শ্রদ্ধা ও ভালবাসা হাজার গুন বেড়ে গেছে। ধন্য আমি লোহাগাড়াবাসী হয়ে,ধন্য আমরা জনাব ফিজনুর রহমান এর মত একজন নীতি নির্ধারক পেয়ে। ধন্যবাদ লোহাগাড়ায় মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত পরিবারের পক্ষ হয়ে,ধন্যবাদ মোটর সাইকেল ব্যবহারীদের পরিবারের পক্ষ হয়ে।


খবরঃ  আজ ১৩ এপ্রিল সকাল থেকে লোহাগাড়া বটতলী মোটর ষ্টেশনের সাউন্ড হেলথ হাসপাতালের সামনে এ অভিযান পরিচালনা করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ ফিজনূর রহমান। হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালকদের কাছ থেকে ২০০ টাকা করে জরিমানা আদায় করা হচ্ছে।
উল্লেখ্যঃ গত ৫ বছরের আমাদের লোহাগাড়া মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ৩৫জন লোক নিহত হয়েছে এবং এর সিংহ ভাগ মাথায় হেলমেড না থাকাতে মাথায় আঘাত জনিত কারনে নিহত হয়েছে।