শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৫

মাননীয় সংসদ সদস্য প্রফেসর ড.আবু রেজা মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন নদভী- বরাবর উন্মুক্ত আবেদন===





বরাবর,

মাননীয় সংসদ সদস্য।

চট্টগ্রাম-১৫(সাতকানিয়া-লোহাগাড়া)।

বিষয়ঃ আপনার উল্লেখ যোগ্য ভাল উদ্যোগ গুলোর সাথে  মাদক ব্যবসায়ীদের আত্ত্বপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ও তাদের পুনবাসনের  উদ্যোগ গ্রহনের আবেদন প্রসঙ্গে।

জনাব,

আপনি নিচ্ছই ফেসবুক মাধ্যমে অবগত হয়েছেন, মসজিদের ইমাম ও এলাকাবাসীর প্ররোচনায় হোক বা প্রশাসনের দৃঢ়তার জন্যই হোক- লোহাগাড়ার চিন্থিত ২ মাদক ব্যবসায়ী মসজিদে ঢুকে  এলাকাবাসীকে স্বাক্ষী রেখে  মাদক ব্যবসা থেকে ফিরে আসার শপথ গ্রহন করেছে।

আমরা আপত দৃষ্টিতে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছি।

এখানে আমাদের মূল কথা হচ্ছে- লোহাগাড়ার মোট মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে ৯৫ শতাংশ মাদক ব্যবসায়ী হচ্ছে বয়সে তরুন। অনেক মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা  কথা বলে প্রায় নিচ্ছিৎ হতে পেরেছি এই ঘৃনীত মাদক ব্যবসায় আসার মূল কারন হচ্ছে বেকারত্ত্ব ও অজ্ঞতা।আমি এইও বিশ্বাস করি- বেকারত্ত্ব জন্যই যে শুধু  মাদক ব্যবসায় আসতে হবে তা কিন্তু  নয়।

লোহাগাড়ার অনেক স্বচেতন মহল মনে করে তাদের একবার আত্ত্বপক্ষ সমর্থন সুযোগ ও তাদের পুনবাসনের ব্যবস্থা   করতে পারলে তারা হয়তো এই ধরনের ঘৃণীত পেশার দিকে আর পা বাড়াবেনা।

আমরা আশা করি

আপনি এলাকার বিবেকবান ও  জনপ্রতিনিধিদের সমন্নয়ে আপনার অনেক গুলো কল্যানময় উদ্যোগের সাথে লোহাগাড়ার মাদক ব্যবসায়ীদের  একবার আত্ত্বপক্ষ সমর্থনের সুযোগ  ও তাদের পুনবাসনের ব্যবস্থা  করার উদ্যোগ গ্রহন করবেন।




নিবেদনে-
লোহাগাড়াবাসীর পক্ষে-

মুহাম্মদ ওমর ফারুক।

লোহাগাড়া,চট্টগ্রাম।



সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৫

দক্ষতাকে তুচ্ছ করে অবহেলা নয়।

এক বোকা লোক গেল সার্কাস দেখতে। একেক জন লোক এসে নিজের বিভিন্ন দক্ষতা দেখাচ্ছিল। কেউ দড়ির উপরে সাইকেল চালাচ্ছিল, কেউ এক রশি থেকে ঝুলে আরেক রশিতে যাচ্ছিল। এইসব দেখে সবাই খুব মজা পাচ্ছিল। এক পর্যায়ে একজন একটা বাঁদর নিয়ে এল। লোকটির ইশারায় বাঁদর টি নাচছিল....ডিগবাজী দিচ্ছিল...আরো অনেক কসরত দেখা। সলোব শেষে মঞ্চে এল বাঘ। সে তার রিং মাষ্টারের নির্দেশনায় কখনো এক পায়ে দাড়ালো। কখনো চেয়ারে উঠে বসল। সবাই তুমুল করতালিতে ফেটে পড়ল। এইসব দেখে বোকা লোকটি ভাবল এ আর এমন কি? এতে এত তালি দেয়ার কী আছে? এতো আমিও পারি। এই ভেবে সে বাড়ি ফিরে গেল। পরের দিন জঙ্গলে নিজের দক্ষতা প্রমান করতে গেল। প্রথমেই একটা বাঁদরকে কলা দেখিয়ে লোভ দেখালো। বাঁদরটি কাছে এলে সে ওটাকে ডিগবাজী দিতে বলল। বাঁদরটি ডিগবাজী তো দিলই না বরং কলাটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে গেল। লোকটি হতাশ হয়ে আরো গভীর জঙ্গলে প্রবেশ করল। সামনে দেখল এক বাঘ। রিং মাষ্টারের মত যেই বাঘকে নির্দেশনা দিতে বাঘের তাড়া খেয়ে কোনো রকম প্রান নিয়ে ফিরল। মনে মনে নিজেকে স্বান্তনা দিলে এই বলে "পশুকে কথা শোনাতে হলে আমাকেও পশু হতে হবে। কিন্তু আমি মানুষ। পশুর মত আচরন আমাকে মানায় না" এরপর সে তার বাড়ির আশেপাশে কয়েকটি গাছে দড়ি ঝুলিয়ে ভারসাম্যের খেলা দেখাতে গেল। একটু পরেই ভারসাম্য হারিয়ে দড়িতে উলটো ঝুলে রইল। শেষে পরিবারের লোকজন এসে তাকে বাচালো।
আমাদের চারপাশের জগৎটাও অনেকটা সার্কাসের মতই। যেখানে প্রত্যেকটা মানুষ আলাদা এবং প্রত্যেকেই ভিন্ন ভিন্ন কাজে দক্ষ। কিন্তু আমরা অনেকেই অন্যের তা
দক্ষতাকে তুচ্ছ করে কে অবহেলা করি। আর সে অবহেলাকে জাহির করতে তাদের অনুসরন করে নিজে ব্যার্থ হই আর মাঝে মাঝে ক্ষতির স্বীকার হই। পৃথিবী র কোনো কাজই কঠিন না আবার কোনো কাজই সহজ না। প্রত্যেকটা কাজই সফলভাবে করার জন্য অধ্যবসায় দরকার। আর অন্যের অন্ধ অনুকরন না করে নিজেকে আবিস্কারের চেষ্টা করুন। দেখবেন আপনি ও এমন কিছু পারছেন যেটা অন্যেরা কেবল স্বপ্নেই দেখে। তাই অন্যের অনুকরনের বৃথা চেষ্টা না করে নতুন কিছু সৃষ্টিতে মনোযোগ দিন।

কপি- Tariqul Islam Tariq

বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৫

লোহাগাড়ায় মোটর সাইকেল ব্যবহারকারীদের হেলমেড ব্যবহারে বাধ্য করার প্রশাসণিক নির্দেশনার আবেদন।


======খোলা মনে,খোলা আবেদন।========
বরাবর,
মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী।
গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।


বিষয়ঃ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় মোটর সাইকেল ব্যবহারকারীদের হেলমেড ব্যবহারে বাধ্য করার প্রশাসণিক নির্দেশনা প্রসংঙ্গে।
 

স্যার,
                  আমি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার রাজনৈতিক পরিচয় বিহীন অক্ষ্যাত একজন সাধারণ স্থায়ী বাসিন্দা।আমার সব চেয়ে বড় পরিচয়..............আমি কারও ভাই,কারও বন্ধু,কারও বাবা,কারও সন্তান, আবার কারও আপণজন।
তাই আমার ব্যক্তিগত স্বার্থে আপনার কাছে আমার এই লিখা-..............
লোহাগাড়া ১টি প্রবাসী ও ধণী বহুল এলাকা।এখানে প্রয়োজন বা অপ্রয়োজনে  মোটর সাইকেল ব্যবহার করাটা অনেকটা সাভাবিক ব্যাপার।এবং পূণবয়স্ক ব্যক্তিগতগন একটু নিয়ত্রিতভাবে মোটর সাইকেল ব্যবহার কররেও, উড়তি বয়সের ছেলেরা সব সময় অনিয়ন্ত্রিতভাবে  মোটর  ব্যবহার করে থাকে।যার ফলাফল স্বরূপ গত ১৬ই অক্টোবর এখই পরিবারের ৩ সন্তান নিহত হয়।



আমার মূল কথা হচ্ছে-..........

গত ৫ বছরে আমাদের চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ প্রায় ২০জনের অধিক ব্যক্তি নিহত হয়েছে এবং এরা সবাই দুর্ঘটনা অবস্থায় মাথায় হেলমেড না থাকাতে  মাথায় আঘাত জনিত কারনে মৃত্যু হয়েছে।
আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ লোহাগাড়ার মোটর সাইকেল ব্যবহারকারীদের হেলমেড ব্যবহারে জন-সচেতনতা ও হেলমেড ব্যবহারে বাধ্য করার লক্ষ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশাসণিক দৃষ্টি আকর্ষন করার পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন প্রকার পদক্ষেপ লক্ষ্য করিনি।
 

          এমত অবস্থায়  মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় অপ-মৃত্যু রোধে লোহাগাড়ার মোটর সাইকেল ব্যবহারে হেলমেড পড়ার বাধ্য বাধকতার প্রশাসনিক কঠোর নির্দেশনা কামনা করছি।





  ইতি-
লোহাগাড়াবাসীর পক্ষে-
মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
এডমিন-

We love to see dreams(আমরা সপ্ন দেখতে ভালবাসি)(ফসবুক গ্রুপ)

সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৫

বাংলায় ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা এবং ৯০ শতাংশ সংঘাত।

বাংলায় এ পর্যন্ত ভূমির ৩টি জরিপের মাধ্যমে খতিয়ান সৃষ্টি করা হয় । বৃটিশ আমলে সি,এস , পাকিস্তান আমলে আর ,ও ,আর এবং বাংলাদেশ আমলে বিএস । হাল খতিয়ান চালু হওয়ার আগে পর্যন্ত চালু ছিল এবং বর্তমানে নেই এরকম খতিয়ান সমূহকে খতিয়ান বলে । এই সাবেক খতিয়াগুলি ভূমির ধারাবাহিক পরিচিতির জন্য প্রয়োজন । এছাড়া সাবেক খতিয়ানগুলির হাল খতিয়ান হিসাবে চালু থাকাকালে সম্পাদিত সকল দলিল, মামলা-মোকদ্দমার রায়ে , ডিক্রিতে এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে এই খতিয়ানগুলি লেখা হয়েছিলো । খতিয়ানগুলি যা সাবেক খতিয়ান নামে পরিণত হয়েছে , তা পরিবর্তন করা সম্ভব নয় । সংশ্লিষ্ট দলিল দস্তাবেজে সাবেক খতিয়ান নং বহাল থাকায় এগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম । সি,এস, খতিয়ান : এই খতিয়ানগুলি ১৯১০-২০ সনের মধ্যে প্রস্তুত হয়েছিলো । একে সাবেক খতিয়ান বলে । এস, এ , খতিয়ান – স্টেট একুইজশান এন্ড এ্যাক্টের ৩ ধারার আওতাধীন ৪৮২৬ -এল , আর -৪৮৩৬ এল আর নং তারিখ ২/৪/১৯৫৬ বিজ্ঞপ্তির মূলে সরকার কর্তৃক সকল জমিদারি দখল নেয়ার পর উক্ত এ্যাক্টের ১৭ ধারা মোতাবেক যে খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় তা এস এ খতিয়ান বলে পরিচিত ।সরকার কর্তৃক জমিদারী দখল একটা স্মরণীয় ঘটনা বিধায় এই নামের সর্বসাধারণের নিকট পরিচিত ।
১৯৫৬ সালের ১৪ এপ্রিল একই সাথে সকল জমিদারী ও মধ্যস্বত্ব বিলোপ করে জমিদারগণকে প্রদেয় ক্ষতিপূরণ তালিকা প্রণয়ন এবং ভূমি মালিকগণকে সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে আনয়ন করার উদ্দেশ্যে একটি সংক্ষিপ্ত জরিপ ও রেকর্ড সংশোধনী কার্যক্রম পরিচালিত হয় । ১৯৫৬ হতে ১৯৬২ পর্যন্ত সময়ে পরিচালিত (আর ,ও ,আর) এই কার্যক্রমের মাদ্যমে সর্বনিন্ম ভূমি মালিকের নাম ও তার জমির বিবরণাদি সম্বলিত একটি হাতেলেখা রেকর্ড প্রস্তুত করা হয় । এটিই এস,এ খতিয়ান নামে পরিচিত । এ তিন কপি প্রস্তুত করে একটি জেলা রেকর্ড রুমে, এক কপি তহশলি ( ইউনিয়ন ভূমি অফিস) অফিসে এবং অন্যটি সার্কেল পরিদর্শক (উপজেলা রাজস্ব) অফিসে প্রদান করা হয় । ১৯৮৫/৮৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ভূমি রেকর্ড ও জরিপের (বিএস)কার্যক্রম হাতে নেয় । এই জরিপের চূড়ান্ত রেকর্ড উপরোল্লিখিত অফিসে প্রেরিত হয়েছে সেখানেই দেখা দিয়েছে ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা , দাঙ্গা ফ্যাসাদ, খুন-জখম , মামলা – মোকদ্দমা । সি,এস এবং আরওআর জরিপ রেকর্ড নিয়ে খুব একটা প্রশ্ন দেখা না দিলেও বিএস জরিপ ও রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠে । এই রেকর্ডে সৃষ্ট ভূমি মালিকদের নেই বি এস , আর ও আর এর সাথে কোন মিল । সংশ্লিষ্ট জরিপকারীরা উৎকোচ নিয়ে নামে বেনামে , দখলদার এবং মনগড়া ব্যক্তিদের জমির মালিক বানিয়ে দিয়েছেন । ভূক্তভোগী আমার পরিবার : আমার কর্তামা (দাদী) আর,ও,আর রেকর্ডে ভূমির মালিক । সি,এস মূলে ভূমি মালিক কর্তামার বাবা । বি এস রেকর্ডে ঐ ভূমির মালিক জনৈক ব্যক্তি । কর্তামা ৮০ এর দশকে গত হয়েছেন । আমার বাবা দুই হাজারের দশকে মা’র ওয়ারিশ মূলে ঐ ভূমি নিজ নামে মিউটেশন করেন । এখানে বলা প্রয়োজন যে, মিউটেশনের বাংলা হলো পরিবর্তন । খতিয়ানে নাম লেখনভুক্ত করা বা জমিজমার ভাগ বা পরিবর্ত কে বুঝায়। এতে ক্রোধান্বিত হয়ে ভূয়া বিএস ধারী কূটকৌশল অবলম্বন করে । আমার এক জেঠাতো বোনকে দিয়ে ওয়ারিশ দাবী করিয়ে বাবার নামে মিউটেশন বাতিলের আবেদন করে । সংশ্লিস্ট সহকারী কমিশনার ভূমি কোন রকম যাচাই বাছাই না করে ঐ মিউটেশন বাতিল করে দেয় । এদিকে বিএস এ ভূমির মালিক দাবীদার এর ওয়ারিশগণ আমার কর্তাকে দাতা এবং বিএস বর্ণিত (তিনিও গত হয়েছেন) ব্যক্তিকে গ্রহিতা দেখিয়ে একটি জাল ( যে দলিলের কোন অস্তিত্ব নেই) দলিল সম্পাদন করে । তৎপরবর্তীতে এই জাল দলিল এবং বিএস দাবীদারের ওয়ারিশগণ জমিটি অন্য ব্যক্তিদের নামে (সম্প্রতি৩/৪) বছরের মধ্যে রেজিস্
ট্রিমূলে বিক্রি করে দেন । জমির মালিক আমার বোনও হলো না আমরাও হলাম না । এবার ভাবুন, এই জমি এখন আমরা মালিক প্রতিষ্ঠিত করতে হলে মামলা মোকদ্দমা করে কয়টি ধাপে লড়াই সংগ্রাম করতে হবে । আরেকটি জটিলতা : সি এস মালিক আমার দাদু ,আর ও আর মালিক আমার বাবা এবং উনার আরো দুই ভাই । তন্মধ্যে একজন জেঠা গত হয়েছেন । আমার জেঠি সম্পূর্ণ ভূমি আমাদেরই এক বর্গাদারের নিকট বিক্রি করে দেন । ক্রেতা একজন নায়েব । সাব রেজিস্ট্রার কোন যাচাই বাছাই না করে এক জনের ভূমি অন্য ব্যক্তিকে ক্রেতা বানিয়ে বিক্রি করায় সৃষ্টি হলো আরেক জটিলতা । এখন এই জমি আমাদের নামে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে ঐ দলিল বাতিল করতে হবে । এরপর আবার দখল । এভাবেই শুরু হয় ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা ।
(লিখাটা কপি করা হয়েছে)

শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০১৫

লোহাগাড়ার প্রাইভেট হাসপাতালের ব্যাপারে আমার ব্যক্তিগত কিছু পরামর্শ।


আমি লোহাগাড়ার সাধারণ নাগরিক হিসাবে লোহাগাড়ার প্রাইভেট হাসপাতাল গুলোর ব্যাপারে  আমার কিছু ব্যক্তিগত  মতামত প্রকাশ করছি।যদি আমার মতামত গুলো সঠিক মনে হয়,তাহলে এই মতামত গুলো নিয়ে চিন্তা করার অনুরোধ জানাচ্ছি ===
লোহাগাড়ার প্রাইভেট হাসপাতাল গুলোর ব্যাপারে প্রায় সময় ১টি কথা শুনা যায়, সেটা হলডাক্তারের ভূল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু বিষয়টা সত্য কিনা মিথ্যা তা আমি বলতে পারব নাতবে  এখানে ডাক্তারের চিকিৎসা ক্ষেত্রে ভূলের চেয়ে হাসপাতাল গুলোর ব্যবস্থাপনার ত্রুটিগত ভূল বেশী বলে আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি
বি.দ্র.-আমি কিন্তু ডাক্তারদের ভূলে উর্দ্ধে বলতেছিনা।তাদেরও ভূল হতে পারে।তবে ভূলটা ইচ্ছাকৃত বা রোগীর প্রতি উদাসিনতা কিনা এইটা সব চেয়ে বড় বিষয়।
যেমন = ০১/একজন ডাক্তার শুধু একজন ডাক্তার নয়,সে একজন মানুষও বটেতার ক্যাপাসিটির বা ধারণ ক্ষমতার একটি সীমা আছেকিন্তু আমি লোহাগাড়ার প্রতিটি প্রাইভেট হাসপাতাল গুলোতে দেখে বা শুনে আসতেছি ==একজন ডাক্তার একবসাতে প্রায় ১০০/১৫০ রোগী দেখে আসতেছেসে  যতই উর্বর মস্তিস্কের ডাক্তার হোক না কেন ,একটানা এত রোগী দেখে কোন ডাক্তারের পক্ষে মস্তিস্ক স্থির রাখা সম্ভব নয়
তাই আগামীতে মস্তিস্ক স্থির রাখার স্বার্থে রোগীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সম্মানীত চিকিৎসকগন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি পরামর্শ জানাচ্ছি এবং ডাক্তারগনের প্রতি অতিরিক্ত রোগী দেখার জন্য চাপ সৃষ্টি না করার জন্য  হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি পরামর্শ জানাচ্ছি
বি.দ্র.-যতই উর্বর মস্তিস্কের ডাক্তার হোক না,একটানা অনেক্ষণ ও অধিক রোগী দেখলে চিকিৎসায় ভূল হওয়ার ঝুকি থেকে যায়।
০২/আমরা জানি লোহাগাড়ার হাসপাতাল গুলোতে ডিপ্লোমাদারী নার্স রাখা প্রায় অসম্ভব,অর্থাৎ ২০/২২হাজার বেতনে হাসপাতাল কতৃপক্ষ রাখবেনা।সুতরাং হাসপাতাল কতৃপক্ষের উচিৎ হবে বর্তমানে দায়িত্বরত নার্সদের প্রতি মাসে অভিজ্ঞ ডিপ্লোমাদারী নার্সের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
/ বিশ্বের  প্রতিটি হাসপাতালের মূল বাক্য থাকে “ প্রতিটি মুহুর্তই গুরুত্ত্বপূর্ণ”।

এমনিতে লোহাগাড়ার প্রাইভেট হাসপাতাল গুলোতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কর্মচারী,ওয়ার্ডবয় ও নার্স নেই বললেই প্রায় চলে।তার উপর লোহাগাড়ার প্রতিটি প্রাইভেট হাসপাতাল গুলোতে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারী,ওয়ার্ডবয় ও নার্স গুলোর আচরণ দেখে মনে হয়---হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদেরকে রোগী সেবা দানের উদ্দেশ্যে নয়, বরণছে  রোগীদেরকে বিনোদনের জন্য “জোকার” নিয়োগ করেছে।  তারা সব সময় দেখা যায় নিজেদের মধ্যে গল্প-টাট্টা ও ম্যাগা-সিরিয়াল দেখা নিয়ে ব্যস্ত থাকে।
এইসব কর্মচারীদেরকে দৃঢ় ও কঠোর দায়িত্ত্বশীল হিসাবে গড়ে তোলার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি পরামর্শ জানাচ্ছি।
০৪/ লোহাগাড়ার প্রাইভেট হাসপাতাল গুলোতে কিছু একটা ঘটলে সর্বপ্রথম যে কাজটা করতে আমরা দেখে থাকি,সেটা হল –হাসপাতালের আসবারপত্র ভেঙ্গে দেওয়া।আমি ব্যক্তিগত ভাবে এই বিষয়টা সমর্থন করি না। হাসপাতালের আসবারপত্র ভেঙ্গে দেওয়া কোন দিনই সমস্যা সমাধানের কাজ হতে পারে না।হাসপাতাল গুলো তো আইণের উর্দ্ধে নয়,হাসপাতালের ভূল হলে অবশ্যই আইণের আশ্রয় নেওয়া উচিৎ।যেমনটা গত কয়েক দিন আগে সাউন্ড হেলর্থ হাসপাতালের এক শিশু রোগীর অভিভাবক সিভিল সার্জেন সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায় করেছে।
এবং হাসপাতাল বিনা দোষে যদি আক্রান্ত হয়,সে ক্ষেত্রেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষেরও আইণের আশ্রয় নেওয়া উচিৎ। অন্যতার আপনাদের ব্যাপারে জনগনের সন্দেহ বৃদ্ধি পায়। এবং হাসপাতাল গুলো  সবার বাজানো ঘন্টায় পরিনত হবে।যখন যার ইচ্ছা সে একটু একটু করে হলেও বাজিয়ে দেখবে।