আমরা বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার
তত্ত্বাবধানে সদ্য এসএসসি পাস করা মহিলা শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার
প্রশিক্ষণ প্রকল্পটা ব্যাপকভাবে সাড়া পড়েছে। শুধু যে সাড়া পড়েছে তা নয়--৮০ জন কোটার বাহিরেও আরো ৪০/৫০জন শিক্ষার্থী কম্পিউটার প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছে। শুনে আমরা খুবই আনন্দিত ও আশাবাদী
অনুভব করছি।।
এখন আমাদের
প্রশ্ন ছিল কেন এই প্রশিক্ষণে এতগুলো শিক্ষার্থী উৎসাহের সাথে সাড়া দিল ? লোহাগাড়ায়
তো আরো অনেক ধরনের প্রশিক্ষণ(যুব উন্নয়ণ,কৃষি,মৎস ইত্যাদি) হয় বা হয়ে থাকে,এই
গুলোতে এত সাড়া নেই কেন?
আমরা কয়েকদিন
বিভিন্ন জনের সাথে কথা বলে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের সাড়া দেওয়ার ব্যাপারে ২টি
উত্তর পেয়েছি—
০১/উক্ত
প্রকল্পের ব্যাপারে নির্বাহী কর্মকর্তার প্রচার মাধ্যম বা কৌশল।
০২/ লোহাগাড়ার তরুণ সমাজের ভাল কিছু শিখার আগ্রহ আগে
থেকে ছিল এবং এখনো আছে।
এখানে আমাদের
মূল কথা হচ্ছে প্রচার মাধ্যমের দূর্বলতার কারণে লোহাগাড়ায় কোন দপ্তরের অধিনে কখন
কি প্রশিক্ষণ হচ্ছে লোহাগাড়ার যুব সমাজ তা জানতে ব্যর্থ হচ্ছে।।তাই লোহাগাড়া
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি আমাদের অনুরোধ থাকবে লোহাগাড়ায় কোন দপ্তরের
অধিনে কখন কি প্রশিক্ষণ হচ্ছে তা যেন ১সপ্তাহ আগে থেকে প্রচারের ব্যবস্থা নেওয়া
হয়। যেন লোহাগাড়ার যুব সমাজ সহজেই প্রশিক্ষণের সুযোগ নিতে পারে।।
বি.দ্র.- প্রশিক্ষণ
শেষ হয়ে যাওয়ার পর প্রচার নয়,প্রশিক্ষণের আগে প্রচার চাই।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন