শনিবার, ২ এপ্রিল, ২০১৬

আশা করি লোহাগাড়ার মাদক নিয়ন্ত্রনের এই অবদানটি সারা দেশের মাদক নিয়ন্ত্রনের মডেল হিসাবে কাজ করবে।

আমরা বার বার দাবী করে আসতেছি লোহাগাড়া এখন প্রায় মাদক মুক্ত হয়েছে।আসলে এর মূল কথা হচ্ছে-লোহাগাড়ার মাদকের আতুড় ঘর খ্যাত দর্জিপাড়া মাদক মুক্ত হয়েছে, আতুড় ঘর মাদক মুক্ত হওয়ার প্রভাবে সম্পূর্ণ লোহাগাড়া আজ অনেকাংশ মাদক নিয়ন্ত্রণ হয়েছে। এই দাবীর হকদার লোহাগাড়া পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি যে ব্যক্তিটির সব চেয়ে বেশী-তিনি দর্জিপাড়া মসজিদের সম্মানীত খতিব আলহাজ্ব মৌলানা মাহমুদুল হক সাহেব। আজ We love to see dreams(আমরা সপ্ন দেখতে ভালবাসি) ফেসবুক গ্রপের পক্ষ থেকে আমরা এডমিন প্যানেল ডাঃ.মোহাম্মদ লোকমান Md Omar Faruk Md Razib ওনাকে সম্মাননা জানাচ্ছি এবং আমাদের এডমিন প্যানেল সদস্য ডাঃ মুহাম্মদ লোকমান এর পক্ষ থেকে ওনাকে সার্বক্ষণিক ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেওয়ার ঘোষনা দেওয়া হয়। আমরা কামনা করি ওনার (খতিব আলহাজ্ব মৌলানা মাহমুদুল হক সাহেব)এই অবদানটি সারা দেশের মাদক নিয়ন্ত্রনের মডেল হিসাবে কাজ করবে।
========================
সার-সংক্ষেপঃ গত রমজান মাসের শুরুর দিকে তিনি দর্জিপাড়া মসজিদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন।শুরুতে তিনি এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের ওয়াজের মাধ্যমে মাদকের পথ থেকে সরে আসার আহবান জানান। এর আগেও এলাকাবাসী অনেক বার তাদেরকে মাদকের ব্যবসা থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছিল এবং পুলিশ প্রশাসনও তাদের কয়েক বার আটক করে জেলেও পাঠায়েছিল।পরে দেখা যায় তারা জেল থেকে এসে এখই পথে আবার চলা শুরু করে।
যখন কোন কাজ হচ্ছিল না তখন মৌলানা সাহেব তাদের সাথে একাকী মিলিত হতে লাগলেন এবং তাদের কে অনেক ভাবে বুঝেতে শুরু কররেন এবং সঠিক পথে ফিরে আসার আহবান করলেন।এর ফল স্বরূপ ৬ নভেম্বর ২০১৫ইং চিন্থিত মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ এহছান এলাকাবাসীকে স্বাক্ষী রেখে মসজিদে ঢুকে মাদকের পথ থেকে ফিরে আসার শপথ গ্রহণ করে এবং তার এই ফিরে আসাকে এলাকাবাসীও সানন্দে গ্রহণ করেন।পরের সপ্তাহে ১৩ নভেম্বর ২০১৫ইং একই ভাবে এলাকার আর এক চিন্থিত মাদক ব্যবসায়ী মোস্তফা কামালও মাদক ব্যবসা থেকে ফিরে আসার শপথ গ্রহন করে এবং পরবর্তীতে তারই অনুপ্রেরনায় প্রায় সকল মাদক ব্যবসায়ী (শুধু শাহাবউদ্দিন ১জন ছাড়া) আজ মাদকের অন্ধকার জগৎ থেকে ফিরে আসে।
======================
সম্মাননা প্রদান মুহুর্তে উপস্থিত ছিলেন-দর্জিপাড়া মসজিদ কমিটি’র সভাপতি,লোহাগাড়া আওয়ামীলীগএর নির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব মামুন উর রশিদ চৌধুরী,লোহাগাড়া ব্রিকফিল্ড মালিক সমিতির সভাপতি মুহাম্মদ শাহাবউদ্দিন,আমিরাবাদ মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এর কার্যকারী কমিটির অভিভাবক সদস্য মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন,লোহাগাড়া অনলাইন প্রেস ক্লাব এর সভাপতি কায়সার হামিদ ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল আউয়াল জনি, আরিফ উদ্দিন রুবেল, এইচ.এম রাব্বী,স্থানীয় ব্যক্তিত্ব শহিদুল ইসলাম মুন্না ও আরিফ ।

মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০১৬

কিভাবে বুঝবেন সে মাদকাসক্ত কিনা ?

হঠাৎ আচার আচরনে পরিবর্তন। •একা একা সময় কাটানো। •বন্ধু পরিবর্তন। •হঠাৎ করে হাত খরচ বেড়ে যাওয়া।•অসময়ে বা গভীর রাতে বাড়ী ফেরা এবং অন্যদের কাছেমাদক ব্যবহারের কথা গোপন করা।•সব সময় ঘুম ঘুম ভাব অথবা ঝিঁমুনি।•অল্পতেই রেগে যাওয়া, মেজাজ গরম করা।•কথাবার্তা জড়িয়ে যাওয়া।•চোখের নীচে কালিপড়া, অস্থিরতা।•পড়াশুনা এবং খেলাধুলায় অমনোযোগীতা।•খাওয়াতে অরুচি, অল্প খেয়ে উঠে যাওয়া এবং মাঝে মাঝে বমি করা।
•স্কুল/কলেজে না যাওয়া এবং স্কুল/কলেজে যাবার নাম করে অন্যত্র সময় কাটানো।•হঠাৎ করে মিষ্টি খাওয়ার প্রতি ঝোঁক সৃষ্টি।•অনিদ্রা এবং খুক খুক করে কাঁশি হওয়া।•বাথরুমে অনেক সময় কাটানো।•সকালে তাড়াহুড়া করে প্রায়ই বেরিয়ে যাওয়া।•পোষাকের ব্যাপারে অমনোযোগী। •ছেঁড়া, নোংরা, পোষাক পরতেও আপত্তি না করা।•গোসল না করা, দাঁত না মাজা, নোংরা থাকা।•ঘরের টাকা পয়সা, জিনিসপত্র প্রায়ই উধাও হয়ে যাওয়া। •ক্রমাগত মিথ্যা বলার প্রবনতা, সব কথায় তর্ক এবং যুক্তি খাটানো।
•ডান বা বাম হাতের আঙ্গুলে আগুনের পোড়া দাগ।•হঠাৎ করে নাক, চোখ দিয়ে পানি পড়া, ভীষনভাবে ছটফটকরা অথবা জ্বর জ্বর ভাব।•দেরী করে ঘুম থেকে উঠা, অসময়ে বিছানায় শুয়ে থাকা।•বাড়ীর বিভিন্ন জায়গায় পোড়া কাগজ, ব্লেড, ম্যাচের কাঠিপাওয়া।
•শরীরের বিভিন্ন জায়গায় সূঁচ ফোটানোর দাগ।•ঘন ঘন নাক চুলকানো।•একা একা খাওয়ার প্রবনতা।•অতিরিক্ত কথা বলা বা অসংলগ্ন কথা বলা ।

বাইসাইকেল ও ১জন ইউএনও।


সকাল ১১টা সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটী ইউনিয়ন পরিষদের ভবনে কিছু মানুষের জটলা। এগিয়ে দেখা যায়, গোটা ২০-২৫ জন খেটেখাওয়া মানুষ অপেক্ষা করছে। উপস্থিত বালিয়াটী ইউপি চেয়ারম্যান মো: আব্দুস সোবাহান জানালেন এলজিএসপি-২ প্রকল্পের আওতায় আজ শুক্রবার ১৭টি পরিবারের মাঝে নলকূপ বিতরণ করা হবে। সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মূর্তাজা মাসুম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নলকূপ বিতরণ করার কথা। তার জন্য সবাই অপেক্ষা করছে।
বালিয়াটীর হাজিপুর গ্রামের ছখিনা বেগম ও জাহাঙ্গীর নলকূপ নিতে অপেক্ষা করছেন। পান চিবুতে চিবুতে জানান, স্যার আইলে টিবল পামু, স্যার আহেনা ক্যা, বেলা তখন সাড়ে ১১টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাইসাইকেল নিয়ে সবার অজান্তে পরিষদের বারান্দায় গিয়ে উঠলেন। তখনও আগতরা কেউ তাকে চিনল না। সবাই গল্প করছিল, যখন চেয়ারম্যান পরিচয় করে দিলেন, তখন সবাই অবাক হয়ে শুধু তাকিয়ে রইল। গুনগুন করে বলছিল বড় স্যার সাইকেল নিয়ে আসল। উপস্থিত সবাই অবাক, একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাবলিক অনুষ্ঠানে বাইসাইকেল নিয়ে উপস্থিত হওয়াতে।
হাসান মূর্তাজা মাসুম সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়ায় যোগদান করেছেন দুই বছরের উপরে হল। তিনি সম্প্রতি বাইসাইকেল ক্রয় করছেন। স্বল্প পরিসরের দূরত্ব হলে সরকারি পাজারো জিপ না নিয়ে তিনি সাইকেল নিয়ে যাবেন বলে জানান। জানালেন, তার উৎসাহে সাটুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিআরডিবি কর্মকর্তারা সাইকেল ক্রয় করেছেন। করছেন।
নলকূপ বিতরণের সময় বালিয়াটীর রশিদপুর গ্রামের সালাম বিশ্বাস ইউএনও মাসুমের নিকট অভিযোগ করেন, একটি পুকুর তীর ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে তার সহ আরো ১০টি বসতবাড়ি বিলীন হচ্ছে। এমন অভিযোগ শোনার পর তিনি আবার বাইসাইকেল চালিয়ে সেই পকুরটি সরেজমিনে দেখতে যান। গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের আশ্বাস দেন, পুকুর ইজারা নেয়া ব্যাক্তিকে আগামী কর্মদিবসেই ডেকে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিবেন।
ততক্ষণে গ্রামের মানুষ জড়ো হয়ে গেছে, একজন নির্বাহী কর্মকর্তা দামী পাজারো গাড়ি রেখে বাইসাইকেলে নিয়ে ছুটে এসেছেন। তাকে এক নজরে দেখার জন্য।
ঐ পুকুর পার পরিদর্শন শেষে আসার সময়, পথিমধ্যেই বালিয়াটী গ্রামের সুদীর ঘোষ নামে এক ব্যাক্তি তাকে গিরে ধরে অভিযোগ করেন, তার বাড়ির ভিতরে প্রবেশমুখে অন্য বাড়ির মালিক গেট নির্মাণ করতে চাচ্ছে। এতে তার বাড়ির প্রবেশ পথ বন্ধ হয়ে যাবে। সাইকেল থেকে নেমে তিনি তার বাড়ির অন্যান্য সমস্যা ঘুরে দেখেন এবং ছবি তুলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা করার আশ্বাস দেন।
পথিমধ্যে এ প্রতিবেদককে তিনি জানান, বাইসাইকেল একটি পরিবেশ বান্ধব, আজ শুক্রবার তিনি সাইকেল নিয়ে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। এতে সরকারি খরচ যেমন কমে গেলে, তেমনি আমার ব্যায়ামটাও হয়ে গেল। ছুটির দিনের পাশাপাশি অফিস সময়ে সাইকেল ব্যবহারের পরিকল্পনার কথাও এ সময় জানিয়ে দিলেন তিনি।
সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মূর্তাজা মাসুম আরো জানান, তার উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতীর ফল গাছ রয়েছে। মৌসুমের সময় তিনি তার অফিসে আগত অতিথিদের দেশীয় ফল দিয়ে আপ্যায়ন করেন। গেল আড়াই বছরে তিনি অন্তত ১৫-২০টি বাল্যবিয়ে বন্ধ করছেন।
আসন্ন ইউপি নির্বাচনের পর তিনি স্থানীয়দের নিয়ে ‘বাল্যবিয়ে, মাদককে না বলুন’- স্লোগানে কয়েকটি ইউনিয়নে বাইসাইকেল র‌্যালি করবেন বলে জানান মূর্তাজা।


রবিবার, ২৭ মার্চ, ২০১৬

হ-য-ব-র-ল জামানা

বর্তমান হ-য-ব-র-ল জামানায় আমাদের কিছু সাধারন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য
১) আমরা তারই বেশি ক্ষতি করি যিনি আমাদের সবচেয়ে বেশী উপকার করেছেন।
২) আমরা তাকেই অবিশ্বাস করি যিনি আমাদের প্রতি সবচেয়ে বেশি বিশ্বস্ত।
৩) সন্ত্রাসী, মাতাল রাই আমাদের চোখে হিরো আর সৎ নিরীহ লোকজন গবেট।
৪) আমাদের চোখে ধার্মিকরা ভন্ড আর নাস্তিক রা প্রগতিশীল।
৫) আমাদের কাছে উলঙ্গপনাই আধুনিকতা আর পর্দাপ্রথা ক্ষ্যাতামি।
৬) আমাদের কাছে প্রাচুর্যতাই মুখ্য আর কোন প্রকিয়ায় তা অর্জিত তা গৌন।
৭) স্বার্থপরতাই বর্তমানে স্মার্টনেস আর পরোপকারীতা বোকামী।
৮) আমরা মরার পর কবর কিভাবে বাধাবো কিভাবে কবরটা সুন্দর করা যায় তার পিছনে অর্থ ব্যয় করি কিন্তু কবরের জীবনে কিভাবে ভালো থাকব তার জন্য সময় ব্যয় করি না।
৯) আমরা সবাই ক্ষমতার পেছনে ছুটে বেড়াই আর সত্য থেকে পালিয়ে বেড়াই।
১০) আমরা সবাই বাবা মা কে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে নিজেরা বেহেস্তে যেতে চাই।
১১) শত্রুর বন্ধুত্বে মজা পাই কিন্তু প্রকৃত বন্ধুকে এড়িয়ে যাই।
১২) আমরা শোনা কথাই বিশ্বাস করি কিন্তু চোখের দেখাও বিশ্বাস করতে চাই না।
১৩) অন্যের সমালোচনায় আমাদের সকাল থেকে সন্ধ্যা হয় কিন্তু আত্মসমালোচনায় এক মিনিটওও ব্যয় করি না।
‪#‎নোট_‬: আমরা কেউই এইসব বৈশিষ্ট্যের বাইরে নই। আমিও না আপনিও না।(কপি)

বৃহস্পতিবার, ২৪ মার্চ, ২০১৬

জীবন সংগ্রামী লোহাগাড়ার ১ কিশোরকে সম্মাননা।


৪ মার্চ 
We love to see dreams(আমরা সপ্ন দেখতে ভালবাসি) গ্রুপের পক্ষ থেকে লোহাগাড়ার জীবন সংগ্রামী,উদ্দোমী ও সাহসী মানুষকে সম্মাননা করার অংশ হিসাবে আজ এই জীবন সংগ্রামী কিশোর কে সম্মাননা ও শিক্ষা সামগ্রী উপহারের মধ্য দিয়েআমাদের যাত্রা শুরু হল।======
আমরা এই জীবন সংগ্রামী কিশোরের প্রথম তথ্য পাই রিদওয়ানূল হক সুজন এর ফেসবুক আইডি থেকে।পরে আমরা তার ব্যাপারে খবরা-খবর নিয়ে দেখি।সত্যি তার জীবন সংগ্রামই হতে পারে দেশের লক্ষ লক্ষ কিশোরের অনুপ্রেরনার উৎস।আমরা আমাদের ফেসবুক গ্রুপের পক্ষ থেকে ( গ্রুপ পরিচালকগন) ডাঃ মোহাম্মদ লোকমান Md Omar Faruk Md Razib এই জীবন সংগ্রামী কিশোর কে সম্মাননা জানাচ্ছি এবং তার উজ্জল ভবিষ্যৎ ও দীর্ঘায়ু জীবন কামনা করছি।==============এই সময় আমাদের সাথে রিদওয়ানূল হক সুজন ও আলমগীরও উপস্থিত ছিল।
বিস্তারিত … রিদওয়ানূল হক সুজন এর.আইডি থেকে কপি করা।

ছবির সংগ্রামী জীবনের নাম লোকমান।পূর্ব পদুয়ার হত দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেয়া লোকমান ৮ভাই-বোনের মধ্যে ৫ম।পারিবারিক দারিদ্রতার কারণে বাবা লেখার খরচ চালাতে না পেরে লোকমানের লেখাপড়া তৃতীয় শ্রেণীতেই বন্ধ করে দিতে বললে সে কোনভাবেই রাজি হয়নি,উল্টো লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার একটা জেদ তার ভিতরে সৃষ্টি হল।পরিবারে হাস-মুরগী পালন করে বড় করে বিক্রি করত বলে তার মাথায় মুরগীর ব্যবসার আইডিয়া আসল।অবশেষে ঈদ সেলামীর জমানো ১২০টাকা দিয়ে নেমে পড়ল মুরগী ব্যবসায়।প্রথমে বোনের শশুর বাড়ি চরম্বা এলাকা থেকে একটি দুটি করে এনে লোহাগাড়া বটতলী মোটর স্টেশনে বিক্রি করতে লাগল,,সেই যে শুরু আজ সে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ে,,সাথে সংসার ও চালায়।এখন সে একজন পাইকার ও তার পুঁজি প্রায় ১০০০০০টাকার মত।এরকম হাজারো লোকমান বিভিন্নভাবে জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে চোখের আড়ালে।============
বি.দ্রঃ-লোহাগাড়ায় আপনার আশে-পাশে এমন জীবন সংগ্রামীর খবর থাকলে আমাদের জানান। আমরা তাদের জীবন সংগ্রমের তথ্য তুলে আনার চেষ্টা করব।

বুধবার, ২৩ মার্চ, ২০১৬

We love to see dreams(আমরা সপ্ন দেখতে ভালবাসি) গ্রুপের পক্ষ থেকে সম্মাননা।

We love to see dreams(আমরা সপ্ন দেখতে ভালবাসি) গ্রুপের পক্ষ থেকে আমরা গ্রুপ পরিচালক প্যানেল মোহাম্মদ লোকমান Md Omar Faruk Md Razib আজ লোহাগাড়ার এই কঠোর পরিশ্রমী, জীবন সংগ্রামী,উদ্দোমী ও সাহসী সৈনিককে আমাদের গ্রুপ প্যাস্টুন ও কিছু শিক্ষা সহযোগী প্রদানের মাধ্যমে সম্মাননা জানাচ্ছি।যিনি হাজারও অভাব অনটনের মধ্যেও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্টিত করেছে।এবং বর্তমানে সে নিজের লেখা-পড়ার পাশাপাশি ১টি শিক্ষা প্রতিষ্টানে শিক্ষকতা করে আসছে। কামনা করি এই কঠোর পরিশ্রমীই হবে আমাদের দেশের লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের অনুপ্রেরনার প্রতিক।এই সময় আরো উপস্থিত ছিল লোহাগাড়া ছাত্রলীগ এর আহবায়ক রিদওয়ানূল হক সুজন
---------------------------------

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পশ্চিম আমিরাবাদ এলাকায় “পল্লী কবি জসিম উদ্দিনের আসমানী কবিতা’র ..মত পরিবারে তার জন্ম। নাম তার সাজেদা আকতার,বাবা মরহুম হাবিবুর রহমান । ছোটকালে মা-বাবা’কে হারিয়ে ভাইদের কাছে তার বেড়ে উঠা। ২ভাই ও ১বোন নিয়ে ছিল তাদের “আসমানী কবিতা’ময় পরিবার। যে পরিবার থেকে তার লেখা-পড়া চালিয়ে যাওয়াটা ছিল প্রায় কল্পনাময়। আর যেখানে পাঠ্য বই কিনাটাই ছিল অসম্ভব সেখানে তো আর প্রাইভেট পড়াটা ছিল আকাশ কুসুম কল্পনার মত। সহ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বই ধার করে লেখা-পড়া চালিয়ে যাওয়াটাই ছিল তার জন্য নিত্ত্বন্যমিত্ত্ব।
এরপর তার কিছু বক্তব্য হুবুহু তুলে ধরলাম==========
আমি ভাল ফলাফলের জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলাম,যদিও আমার এস.এস.সি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে খুপি ব্যতীত কোন আলো ছিল না। আল্লাহর রহমতে আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ,দোয়া এবং বড় ভাই-ভাবির সহযোগীতায় এস.এস.সি’তে জি.পি.এ-৫ পাই। এ ফলাফল আমার জীবনের গতিকে প্রসারিত করে দিল। পড়ার প্রতি আমার আগ্রহ দেখে মেঝ ভাই অনেক কষ্ট(আর্থিক) করে আমাকে সরকারী মহিলা কলেজ’এ ভর্তি করে দিলেন এবং থাকার ব্যবস্থা হলো হোস্টেলে। নানা প্রতিবন্ধকতার মাঝেও আল্লাহর রহমতে ২০১২ সালে জি.পি.এ-৫ পেয়ে এইচ,এস,সি পাশ করি। বর্তমানে অর্থনীতি নিয়ে একই কলেজে অনার্স(৩য় বর্ষে )পড়ছি। স্বপ্ন দেখি বি.সি.এস ক্যাডার হওয়ার। সমাজের যে সব নারী ঠিকে থাকার সংগ্রামে রত তাদের জন্য কাজ করতে চাই। চাইনা কারো অসীম সম্ভাবনা অবহেলা আর সামাজিক শৃংখলের কারনে অঙ্কুরে বিনষ্ট হয়ে যাক।
তার জীবন সংগ্রামের ব্যাপারে উক্ত এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্টান “পশ্চিম আমিরাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়’এর শিক্ষক মোতাহেরা বেগম বলেন------ তাকে আমি ছোট কাল থেকে জানি, সে আমাদের স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল এবং সে খুবই মেধাবী ও কঠোর পরিশ্রমী ছিল। পারিবারিক করুণ অবস্থাতেও সে যে ভাবে নিজের লেখা-পড়া চালিয়ে গেছে ও এখনো যাচ্ছে তা বর্তমান সময়ের জন্য বিরল।আমি তার আলোকিত জীবন কামনা করছি।
তার জীবন সংগ্রামের কথা বলতে গিয়ে তারই প্রতিবেশী মৌলানা আহমদ কবির বলেন.......যে পরিবারে একমুটু ভাত জোগার করা কষ্টকর ছিল,সে পরিবারের মেয়ে আজ আমাদের দেখিয়ে দিল—“কঠোর পরিশ্রম ও ইচ্ছা শক্তির বলে শত অভাব অনটনের মাঝেও নিজেকে জয় করা যায়” আমি অন্তর থেকে দোয়া করি, সে যেন আরো অনেক বড় হয়।

রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

জ্ঞান অর্জন...............

একবার একজন ব্যবসায়ী গভীর রাতে জনশূন্য পাহাড়ি অঞ্চল দিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন। এমন সময় একটি অপরিচিত কণ্ঠ ভেসে এলো: ‘মাটি থেকে কয়েকটি পাথর তুলে নাও। আগামীকাল তুমি যেমন খুশী হবে, তেমনি হবে অতৃপ্ত।’
ধনী লোক এই অপরিচিত লোকের উপদেশ গ্রহণ করলেন। তিনি সত্যি সত্যিই মাটি থেকে তিনটি পাথর তুলে নিয়ে পকেটে রাখলেন। পরের দিন ভোরবেলায় তিনি গন্তব্যে পৌঁছুলেন। তখন তার মনে পড়ল পাথর তিনটির কথা। তিনি একে একে পকেট থেকে পাথর তিনটি বের করলেন এবং অবাক হয়ে দেখলেন যে, পাথর তিনটির একটি হীরা, একটি মুক্তা এবং অন্যটি পান্না। অবাক হবার পরক্ষণেই ব্যবসায়ী মূল্যবান তিনটি পাথরের মালিক বনে যাওযায় আনন্দে আত্মহারা হলেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তিনি আফসোস করতে লাগলেন এবং আপন মনে বলতে লাগলেন, ‘হায়! আমি যদি আরো বেশি পাথর তুলে নিতাম।’ তার মনে ভীষণ অতৃপ্তিবোধ জন্ম নিল।
‪#‎লক্ষনীয়_‬:গল্পের পাথরগুলো আসলে প্রতীকি অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। ওই ব্যবসায়ী যদি তার সাধ্যমতো পাথর নিয়ে আসতো, তাহলে অনেক বেশি ধনী হতে পারতো। মানুষের জীবনে জ্ঞান বা ভালো পরামর্শ হলো মূল্যবান পাথরের মতো। এ-জিনিস যতো বেশি সম্ভব সংগ্রহ করা উচিত। জ্ঞান যত বেশি হবে, মানুষ ততো আলোকিত হবে, হবে মনের দিক দিয়ে ধনী। অবশ্য জ্ঞানের পিপাসা কখনো মেটে না। আফসোস থেকেই যায়। কিন্তু যতোটা সম্ভব জ্ঞান অর্জন করে যাওয়া উচিত। সেক্ষেত্রে দিন শেষে আফসোসের মাত্রা কম হবে। ব্যবসায়ী যদি তার সাধ্যমতো পাথর তুলে নিতেন, তাহলে অন্তত এ-কথা ভেবে সান্ত্বনা পেতেন যে, ‘আমি আমার সাধ্যমতো পাথর তুলে এনেছি।’

(সংগ্রহ)