বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৬

ক্ষমতাধর......

এক গ্রাম্য ডোবায় কয়েকটি ব্যাঙ বাস করত। তারা ভাবত এটাই মনে হয় পৃথিবী আর ওরাই পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর প্রানী। ভাবাটাই স্বাভাবিক ছিল কারন ঐ ডোবায় ব্যাঙগুলোর চেয়ে বড় কোনো প্রানী ছিল না। ছিল কিছু ছোট ছোট জলজ পোকা। ব্যাঙগুলো সবসময় ওদের উপর খুব অত্যাচার করত। যখন যাকে খুশী খেয়ে ফেলত। একবার ওই গ্রামটি বন্যায় প্লাবিত হল এবং ওই ব্যাঙগুলো পানির তোড়ে একটা পুকুরে চলে গেল। পুকুরে চলে এলেও ওরা ওদের হামবড়া ভাব ছাড়তে পারল না। পারবে কীভাবে দীর্ঘদিনের অভ্যাস যে। ওই পুকুরে বাস করত এক সাপ। ব্যাঙ গুলো যেহেতু সারাজীবন ডোবায়ই কাটিয়েছিল তারা সাপ কী জিনিস সে সম্পর্কে ওদের কোনো ধারনা ছিল না। তাই সাপ দেখেও ওরা না লুকিয়ে সাপের সামনে সবাই মিলে মাস্তানি করতে গেল আর ফলসরূপ একে একে ব্যাঙগুলো সাপের পেটে চলে গেল আর এভাবেই কুয়োর ব্যাঙদের জীবনাবসান হল।
‪#‎সারকথা‬: কোনো কোনো পরিবেশে বা কোনো পরিস্থিতিতে হয়তো আপনিই হবেন অন্যদের চেয়ে ক্ষমতাধর। কিন্তু ওই অবস্থায় যদি আপনি যদি দুর্বলদের উপর অত্যাচার চালান তবে তা বুমেরাং হয়ে আপনার উপর ফেরত আসবেই। এছাড়া আমাদের আশেপাশে বা কর্মক্ষেত্রে এমন ব্যাঙসদৃশ্য মানুষ থাকে তারা তাদের চারপাশের সীমিত পরিসরকেই পৃথিবী মনে করে আর নিজদের ভাবতে থাকে ওই পৃথিবী র রাজা কিন্তু যখনই তারা বৃহৎ পরিসরে চলে যায় তখন তাদের চেয়ে ক্ষমতাধর কারো হাতেই তাদের দম্ভের অবসান ঘটে।(কপি পোস্ট)

মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৬

মনে হয় ইউএনও লোহাগাড়া ও ছাত্রলীগ আহবায়ক’র নেতৃত্বে আজ লোহাগাড়ায় ১টি নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়ে গেল।




৫এপ্রিল সকাল ১১টায় লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব ফিজনুর রহমান ও লোহাগাড়া ছা্ত্রলীগ আহবায়ক রিদওয়ানুল হক সুজন এর নেতৃত্বে আপন উদ্যোগে লোহাগাড়া স্টেশনের পাশে শহীদ মিনারের সামনে জমিয়ে রাখা ময়লার স্থুপ পরিস্কার ও শহীদ মিনারের সামনে নিরাপত্তা বেড়া তৈরির মধ্য দিয়ে লোহাগাড়ায় বীর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মাননার আর এক ইতিহাস সৃষ্টি হয়ে গেল বলে আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি
 We love to see dreams(আমরা সপ্ন দেখতে ভালবাসি)..গ্রুপের পক্ষ থেকে আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রিদওয়ানুল হক সুজন এর নেতৃত্বে অংশ গ্রহনকারী  লোহাগাড়া ছাত্রলীগর সকল নেতা-কর্মীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি
উল্লেখ্যঃকতৃপক্ষের উদাসিনতায় লোহাগাড়া স্টেশনের শহীদ মিনারের সামনে  দীর্ঘ দিন যাবৎ জমে থাকা ময়লার স্থুপ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখা-লিখির পরও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের টনক না নড়ায়, অবশেষে ফেসবুকে ঘোষনা দেওয়ার মধ্যদিয়ে নিজ উদ্যোগে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব ফিজনুর রহমান ও লোহাগাড়া ছা্ত্রলীগ আহবায়ক রিদওয়ানুল হক সুজন এর নেতৃত্বে ময়লার স্থুপ পরিস্কার করার ঘোষনা দেয়

রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৬

ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক'কে এগিয়ে নেওয়া এক ইউএনও'র কথা।



 সময়টা আজ থেকে প্রায় ৮/৯ বছর আগের রাউজান এলাকার আমার ১বন্ধু লোহাগাড়ায় ১টি সেবা মূলক এনজিও তে চাকুরী করত প্রায় প্রতিদিন বিকালে আমরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতামএক দিন বিকালে সে খুবই বিমর্ষ অবস্থায় আমার কাছে আসে বিমর্ষ হওয়ার কারন জানতে চাইলে সে বলে-
সারা দিন প্রায় ১০/১২ স্কুলে ঘুরা-ঘুরি করে ক্লান্ত হয়েছে ও মনও খারাপ হয়ে আছে। বলল তাদের একটি স্যানিটিশন প্রকল্প আছে-যা তারা স্থানীয় স্কুলের সাংস্কৃতিক কর্মীদে দ্বারা গান ও অভিনয়ের মাধ্যমে সম্পাদন করে থাকে।
তার চাকুরীটা ছিল লোহাগাড়ায় নতুন। এর আগে আরো কয়েকটি উপজেলায় কাজ করেছে সে, কোথাও কোন দিন সংস্কৃতি কর্মীর অভাব হয়ে নি। কিন্তু আজ লোহাগাড়ায় এসে সাংস্কৃতিক কর্মীর অভাব হয়েছে।
আজ সময়টা ২০১৬ইং। আমার জানা মতে চট্টগ্রামের  লোহাগাড়ায় আজ কোন সংস্কৃতিক কর্মীর অভাব নেই। প্রায় প্রতিটি স্কুলে সাংস্কৃতিক কর্মীদের দল ও ক্রীড়া দল আছে। যে লোহাগাড়া ক্রীড়া ও সংস্কৃতিতে পিছিয়ে ছিল আজ সে লোহাগাড়া ক্রীড়া ও সংস্কৃতিতে অনেক এগিয়ে । আজ লোহাগাড়ার আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান বিশ্ব-বিদ্যালয় কলেজ এর ফুটবল দল ভারত এর মাটিতে গিয়ে শিরোপা অর্জন করে নিয়ে এসেছে। আজ লোহাগাড়ার স্কুল ফুটবল দল জেলা পর্যায়ে খেলে এসেছে।আজ আমাদের লোহাগাড়ার ১টি স্কুলে মঞ্চ নাটক মঞ্চায়ন হওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।আজ লোহাগাড়ায় স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসে কুচকাওয়াজ অনুষ্টিত হচ্ছে। আজ লোহাগাড়া কেন্দ্রিক ফুটবল ও ক্রিকেট দল গঠন করা হয়েছে। আজ আমরা আমাদের সন্তানদের শিল্প-কলা একাডেমীতে ভর্তির স্বপ্ন দেখি। আজ লোহাগাড়া শিল্প একাডেমীর দরজা খোলা থাকে।
এই সবই যার আন্তরিক প্রচেষ্টায় সম্ভব হয়েছে-তিনি আমাদের লোহাগাড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব ফিজনুর রহমান। ক্রীড়া ও সংস্কৃতির এই অবদানের জন্য লোহাগাড়ার মানুষ ওনাকে সারা জীবন স্মরণ রাখবে এবং আমি ব্যক্তিগত ভাবে এই মহান কারিগরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
এরপরও  মহান এই কারিগরের কাছে আমরা লোহাগাড়াবাসী আরো কয়েকটি জিনিস প্রত্যাশা করি-
০১/শিশুদের জন্য লোহাগাড়ায় ১টি শিশু পার্ক এবং প্রতিটি স্কুলে শিশু বান্ধব শ্রেণী কক্ষ প্রতিষ্টা নিচ্ছিৎ করা
০২/স্কুল বা কলেজ এর  প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে ক্রীড়া বা সংস্কৃতির সাথে যুক্ত করার পদক্ষেপ(যে যে বিষয়ে দক্ষ)
০৩/ লোহাগাড়ায় শিল্প-কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে সরকারী/বেসরকারী পর্যায়ে চেষ্টা চালানো
আমরা আশা করি আপনার নিপুণ হাতেই হবে আমাদের সমৃদ্ধ ও সুন্দর লোহাগাড়া
=====================
বি.দ্রঃ-লিখার সব তথ্য গুলো এলাকার বিভিন্ন শিক্ষার্থী ও ফেসবুক তথ্য থেকে নেওয়া। অনিচ্ছাকৃত ভাবে কোন তথ্য ভূল হলে ক্ষমা করবেন।
মুহাম্মদ ওমর ফারুক
পরিচালক-
We love to see dreams(আমরা সপ্ন দেখতে ভালবাসি)
(ফেসবুক গ্রুপ)