মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৬

মনে হয় ইউএনও লোহাগাড়া ও ছাত্রলীগ আহবায়ক’র নেতৃত্বে আজ লোহাগাড়ায় ১টি নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়ে গেল।




৫এপ্রিল সকাল ১১টায় লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব ফিজনুর রহমান ও লোহাগাড়া ছা্ত্রলীগ আহবায়ক রিদওয়ানুল হক সুজন এর নেতৃত্বে আপন উদ্যোগে লোহাগাড়া স্টেশনের পাশে শহীদ মিনারের সামনে জমিয়ে রাখা ময়লার স্থুপ পরিস্কার ও শহীদ মিনারের সামনে নিরাপত্তা বেড়া তৈরির মধ্য দিয়ে লোহাগাড়ায় বীর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মাননার আর এক ইতিহাস সৃষ্টি হয়ে গেল বলে আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি
 We love to see dreams(আমরা সপ্ন দেখতে ভালবাসি)..গ্রুপের পক্ষ থেকে আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রিদওয়ানুল হক সুজন এর নেতৃত্বে অংশ গ্রহনকারী  লোহাগাড়া ছাত্রলীগর সকল নেতা-কর্মীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি
উল্লেখ্যঃকতৃপক্ষের উদাসিনতায় লোহাগাড়া স্টেশনের শহীদ মিনারের সামনে  দীর্ঘ দিন যাবৎ জমে থাকা ময়লার স্থুপ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখা-লিখির পরও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের টনক না নড়ায়, অবশেষে ফেসবুকে ঘোষনা দেওয়ার মধ্যদিয়ে নিজ উদ্যোগে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব ফিজনুর রহমান ও লোহাগাড়া ছা্ত্রলীগ আহবায়ক রিদওয়ানুল হক সুজন এর নেতৃত্বে ময়লার স্থুপ পরিস্কার করার ঘোষনা দেয়

রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৬

ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক'কে এগিয়ে নেওয়া এক ইউএনও'র কথা।



 সময়টা আজ থেকে প্রায় ৮/৯ বছর আগের রাউজান এলাকার আমার ১বন্ধু লোহাগাড়ায় ১টি সেবা মূলক এনজিও তে চাকুরী করত প্রায় প্রতিদিন বিকালে আমরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতামএক দিন বিকালে সে খুবই বিমর্ষ অবস্থায় আমার কাছে আসে বিমর্ষ হওয়ার কারন জানতে চাইলে সে বলে-
সারা দিন প্রায় ১০/১২ স্কুলে ঘুরা-ঘুরি করে ক্লান্ত হয়েছে ও মনও খারাপ হয়ে আছে। বলল তাদের একটি স্যানিটিশন প্রকল্প আছে-যা তারা স্থানীয় স্কুলের সাংস্কৃতিক কর্মীদে দ্বারা গান ও অভিনয়ের মাধ্যমে সম্পাদন করে থাকে।
তার চাকুরীটা ছিল লোহাগাড়ায় নতুন। এর আগে আরো কয়েকটি উপজেলায় কাজ করেছে সে, কোথাও কোন দিন সংস্কৃতি কর্মীর অভাব হয়ে নি। কিন্তু আজ লোহাগাড়ায় এসে সাংস্কৃতিক কর্মীর অভাব হয়েছে।
আজ সময়টা ২০১৬ইং। আমার জানা মতে চট্টগ্রামের  লোহাগাড়ায় আজ কোন সংস্কৃতিক কর্মীর অভাব নেই। প্রায় প্রতিটি স্কুলে সাংস্কৃতিক কর্মীদের দল ও ক্রীড়া দল আছে। যে লোহাগাড়া ক্রীড়া ও সংস্কৃতিতে পিছিয়ে ছিল আজ সে লোহাগাড়া ক্রীড়া ও সংস্কৃতিতে অনেক এগিয়ে । আজ লোহাগাড়ার আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান বিশ্ব-বিদ্যালয় কলেজ এর ফুটবল দল ভারত এর মাটিতে গিয়ে শিরোপা অর্জন করে নিয়ে এসেছে। আজ লোহাগাড়ার স্কুল ফুটবল দল জেলা পর্যায়ে খেলে এসেছে।আজ আমাদের লোহাগাড়ার ১টি স্কুলে মঞ্চ নাটক মঞ্চায়ন হওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।আজ লোহাগাড়ায় স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসে কুচকাওয়াজ অনুষ্টিত হচ্ছে। আজ লোহাগাড়া কেন্দ্রিক ফুটবল ও ক্রিকেট দল গঠন করা হয়েছে। আজ আমরা আমাদের সন্তানদের শিল্প-কলা একাডেমীতে ভর্তির স্বপ্ন দেখি। আজ লোহাগাড়া শিল্প একাডেমীর দরজা খোলা থাকে।
এই সবই যার আন্তরিক প্রচেষ্টায় সম্ভব হয়েছে-তিনি আমাদের লোহাগাড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব ফিজনুর রহমান। ক্রীড়া ও সংস্কৃতির এই অবদানের জন্য লোহাগাড়ার মানুষ ওনাকে সারা জীবন স্মরণ রাখবে এবং আমি ব্যক্তিগত ভাবে এই মহান কারিগরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
এরপরও  মহান এই কারিগরের কাছে আমরা লোহাগাড়াবাসী আরো কয়েকটি জিনিস প্রত্যাশা করি-
০১/শিশুদের জন্য লোহাগাড়ায় ১টি শিশু পার্ক এবং প্রতিটি স্কুলে শিশু বান্ধব শ্রেণী কক্ষ প্রতিষ্টা নিচ্ছিৎ করা
০২/স্কুল বা কলেজ এর  প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে ক্রীড়া বা সংস্কৃতির সাথে যুক্ত করার পদক্ষেপ(যে যে বিষয়ে দক্ষ)
০৩/ লোহাগাড়ায় শিল্প-কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে সরকারী/বেসরকারী পর্যায়ে চেষ্টা চালানো
আমরা আশা করি আপনার নিপুণ হাতেই হবে আমাদের সমৃদ্ধ ও সুন্দর লোহাগাড়া
=====================
বি.দ্রঃ-লিখার সব তথ্য গুলো এলাকার বিভিন্ন শিক্ষার্থী ও ফেসবুক তথ্য থেকে নেওয়া। অনিচ্ছাকৃত ভাবে কোন তথ্য ভূল হলে ক্ষমা করবেন।
মুহাম্মদ ওমর ফারুক
পরিচালক-
We love to see dreams(আমরা সপ্ন দেখতে ভালবাসি)
(ফেসবুক গ্রুপ)

শনিবার, ২ এপ্রিল, ২০১৬

আশা করি লোহাগাড়ার মাদক নিয়ন্ত্রনের এই অবদানটি সারা দেশের মাদক নিয়ন্ত্রনের মডেল হিসাবে কাজ করবে।

আমরা বার বার দাবী করে আসতেছি লোহাগাড়া এখন প্রায় মাদক মুক্ত হয়েছে।আসলে এর মূল কথা হচ্ছে-লোহাগাড়ার মাদকের আতুড় ঘর খ্যাত দর্জিপাড়া মাদক মুক্ত হয়েছে, আতুড় ঘর মাদক মুক্ত হওয়ার প্রভাবে সম্পূর্ণ লোহাগাড়া আজ অনেকাংশ মাদক নিয়ন্ত্রণ হয়েছে। এই দাবীর হকদার লোহাগাড়া পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি যে ব্যক্তিটির সব চেয়ে বেশী-তিনি দর্জিপাড়া মসজিদের সম্মানীত খতিব আলহাজ্ব মৌলানা মাহমুদুল হক সাহেব। আজ We love to see dreams(আমরা সপ্ন দেখতে ভালবাসি) ফেসবুক গ্রপের পক্ষ থেকে আমরা এডমিন প্যানেল ডাঃ.মোহাম্মদ লোকমান Md Omar Faruk Md Razib ওনাকে সম্মাননা জানাচ্ছি এবং আমাদের এডমিন প্যানেল সদস্য ডাঃ মুহাম্মদ লোকমান এর পক্ষ থেকে ওনাকে সার্বক্ষণিক ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেওয়ার ঘোষনা দেওয়া হয়। আমরা কামনা করি ওনার (খতিব আলহাজ্ব মৌলানা মাহমুদুল হক সাহেব)এই অবদানটি সারা দেশের মাদক নিয়ন্ত্রনের মডেল হিসাবে কাজ করবে।
========================
সার-সংক্ষেপঃ গত রমজান মাসের শুরুর দিকে তিনি দর্জিপাড়া মসজিদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন।শুরুতে তিনি এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের ওয়াজের মাধ্যমে মাদকের পথ থেকে সরে আসার আহবান জানান। এর আগেও এলাকাবাসী অনেক বার তাদেরকে মাদকের ব্যবসা থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছিল এবং পুলিশ প্রশাসনও তাদের কয়েক বার আটক করে জেলেও পাঠায়েছিল।পরে দেখা যায় তারা জেল থেকে এসে এখই পথে আবার চলা শুরু করে।
যখন কোন কাজ হচ্ছিল না তখন মৌলানা সাহেব তাদের সাথে একাকী মিলিত হতে লাগলেন এবং তাদের কে অনেক ভাবে বুঝেতে শুরু কররেন এবং সঠিক পথে ফিরে আসার আহবান করলেন।এর ফল স্বরূপ ৬ নভেম্বর ২০১৫ইং চিন্থিত মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ এহছান এলাকাবাসীকে স্বাক্ষী রেখে মসজিদে ঢুকে মাদকের পথ থেকে ফিরে আসার শপথ গ্রহণ করে এবং তার এই ফিরে আসাকে এলাকাবাসীও সানন্দে গ্রহণ করেন।পরের সপ্তাহে ১৩ নভেম্বর ২০১৫ইং একই ভাবে এলাকার আর এক চিন্থিত মাদক ব্যবসায়ী মোস্তফা কামালও মাদক ব্যবসা থেকে ফিরে আসার শপথ গ্রহন করে এবং পরবর্তীতে তারই অনুপ্রেরনায় প্রায় সকল মাদক ব্যবসায়ী (শুধু শাহাবউদ্দিন ১জন ছাড়া) আজ মাদকের অন্ধকার জগৎ থেকে ফিরে আসে।
======================
সম্মাননা প্রদান মুহুর্তে উপস্থিত ছিলেন-দর্জিপাড়া মসজিদ কমিটি’র সভাপতি,লোহাগাড়া আওয়ামীলীগএর নির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব মামুন উর রশিদ চৌধুরী,লোহাগাড়া ব্রিকফিল্ড মালিক সমিতির সভাপতি মুহাম্মদ শাহাবউদ্দিন,আমিরাবাদ মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এর কার্যকারী কমিটির অভিভাবক সদস্য মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন,লোহাগাড়া অনলাইন প্রেস ক্লাব এর সভাপতি কায়সার হামিদ ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল আউয়াল জনি, আরিফ উদ্দিন রুবেল, এইচ.এম রাব্বী,স্থানীয় ব্যক্তিত্ব শহিদুল ইসলাম মুন্না ও আরিফ ।

মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০১৬

কিভাবে বুঝবেন সে মাদকাসক্ত কিনা ?

হঠাৎ আচার আচরনে পরিবর্তন। •একা একা সময় কাটানো। •বন্ধু পরিবর্তন। •হঠাৎ করে হাত খরচ বেড়ে যাওয়া।•অসময়ে বা গভীর রাতে বাড়ী ফেরা এবং অন্যদের কাছেমাদক ব্যবহারের কথা গোপন করা।•সব সময় ঘুম ঘুম ভাব অথবা ঝিঁমুনি।•অল্পতেই রেগে যাওয়া, মেজাজ গরম করা।•কথাবার্তা জড়িয়ে যাওয়া।•চোখের নীচে কালিপড়া, অস্থিরতা।•পড়াশুনা এবং খেলাধুলায় অমনোযোগীতা।•খাওয়াতে অরুচি, অল্প খেয়ে উঠে যাওয়া এবং মাঝে মাঝে বমি করা।
•স্কুল/কলেজে না যাওয়া এবং স্কুল/কলেজে যাবার নাম করে অন্যত্র সময় কাটানো।•হঠাৎ করে মিষ্টি খাওয়ার প্রতি ঝোঁক সৃষ্টি।•অনিদ্রা এবং খুক খুক করে কাঁশি হওয়া।•বাথরুমে অনেক সময় কাটানো।•সকালে তাড়াহুড়া করে প্রায়ই বেরিয়ে যাওয়া।•পোষাকের ব্যাপারে অমনোযোগী। •ছেঁড়া, নোংরা, পোষাক পরতেও আপত্তি না করা।•গোসল না করা, দাঁত না মাজা, নোংরা থাকা।•ঘরের টাকা পয়সা, জিনিসপত্র প্রায়ই উধাও হয়ে যাওয়া। •ক্রমাগত মিথ্যা বলার প্রবনতা, সব কথায় তর্ক এবং যুক্তি খাটানো।
•ডান বা বাম হাতের আঙ্গুলে আগুনের পোড়া দাগ।•হঠাৎ করে নাক, চোখ দিয়ে পানি পড়া, ভীষনভাবে ছটফটকরা অথবা জ্বর জ্বর ভাব।•দেরী করে ঘুম থেকে উঠা, অসময়ে বিছানায় শুয়ে থাকা।•বাড়ীর বিভিন্ন জায়গায় পোড়া কাগজ, ব্লেড, ম্যাচের কাঠিপাওয়া।
•শরীরের বিভিন্ন জায়গায় সূঁচ ফোটানোর দাগ।•ঘন ঘন নাক চুলকানো।•একা একা খাওয়ার প্রবনতা।•অতিরিক্ত কথা বলা বা অসংলগ্ন কথা বলা ।